Monday , 18 December 2017
Breaking News

উন্নয়ন হচ্চে,দেশের উন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দিন : প্রধানমন্ত্রী

আমাদের পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার কাছে দাবি করার প্রয়োজন নেই। উন্নয়ন কীভাবে করতে হয় তা তিনি জানেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সারাদেশের উন্নয়নের জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সার্বিক উন্নয়নে কারও দাবি করার প্রয়োজন নাই। আমি জাতির পিতার মেয়ে, আমি জানি দেশের উন্নয়ন কিভাবে করতে হয়। ’

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীতে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাংলা ভাইয়ের জন্ম হয়। মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায়। এমনকি জনগণের টাকা, এতিমখানার টাকা- সে টাকাও তারা চুরি করে খায়। ’

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকারের আমলে একজন মন্ত্রীর নিজের লাভের কারণে একটি মোবাইলের দাম ছিল এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। তখন মোবাইলে কথা বলতে প্রতি মিনিটে খরচ হতো ১০ টাকা। আওয়ামী লীগ সরকার মোবাইলের দাম হাজার-বারশো টাকায় নামিয়ে এনেছে। এখন মানুষ সস্তায় কথা বলতে পারছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তার লক্ষ্য- দেশে শান্তি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তাই উত্তরবঙ্গে এখন আর কোনো মঙ্গা নেই। রাজশাহীর উন্নয়নে যা যা করা দরকার তার সবই করবে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে ১১০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছে তার সরকার। রাজশাহীতেও এই বিশেষ অর্থনৈতিক জোন স্থাপন হবে। ইতিমধ্যে সরকার এখানে আইটি পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। সেখানে কম্পিউটার, ল্যাপটসহ নানা ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন হবে। এ অঞ্চলের কৃষি নিয়ে আরও বেশি গবেষণা করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েরও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তার সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ২০ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করছে। বিনা পয়সায় দেওয়া হচ্ছে বই। দেশের এক কোটি ৭৩ লাখ শিক্ষার্থী এখন সরকারের বৃত্তি পাচ্ছে। এক কোটি ৩০ লাখ মায়ের মোবাইলে চলে যাচ্ছে বৃত্তির টাকা।

প্রধানমন্ত্রী তার ৩০ মিনিটের ভাষণে সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন এই জনসভায়। ২০০৮ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই মেয়াদে রাজশাহীর কী কী উন্নয়ন হয়েছে, তাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি আগামীতেও নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন চাইলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদেরই ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর তৈরি করে দিবে তার সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোও দ্রুত মেরামত করা হবে। সেসব সড়ক সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কেউ যেন জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য অভিভাবক, শিক্ষক ও মসজিদের ইমামদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পবা উপজেলার হরিয়ানে রাজশাহী চিনিকল মাঠে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, এমপি আয়েন উদ্দিন, এনামুল হক।

জনসভায় রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জেলার শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা উপলক্ষে দুপুরের আগেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় চিনিকলের মাঠ। তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করেন দূর-দূরান্ত থেকে যাওয়া নেতাকর্মীরা।

৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন : এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৭০০ কোটি টাকার মোট ২২টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী যে ১৬টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্ক।

রাজশাহী মহানগরীর নবীনগর এলাকায় ৩১ দশমিক ৬৩ একর জমিতে ২৩৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে পার্কটির নির্মাণকাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হবে ২০১৯ সালের জুনে। ডিজিটাল ইকোনমিক হাব হিসেবে নির্মিতব্য এই পার্কে প্রায় ১৪ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানেই তৈরি হবে বিশ্বমানের সফটওয়্যার।

পদ্মাপাড়ের এই হাই-টেক পার্ক ছাড়াও ‘তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নির্বাচিত বেসরকারি কলেজ (আইসিটি) সমূহের উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গুলগোফুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের চারতলা অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫৩ হাজার ৮২ টাকা।

একই প্রকল্পের আওতায় এবং সমপরিমাণ ব্যয়ে মোহনপুর উপজেলার পাকুড়িয়া কলেজ ও বাগমারার মাড়িয়া কলেজের চতুর্থ তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, চারঘাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর, তানোরের চান্দুড়িয়া এলাকার ডা. আবু বকর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ভবন নির্মাণ, ২৬৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজশাহী মহানগরীর সোনাইকান্দি থেকে বুলনপুর পর্যন্ত শহররক্ষা বাঁধ নির্মাণ, ২ কোটি ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা ব্যয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ, রাজশাহী নগরীর তালাইমারী চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্কয়ার নির্মাণ, নগরীর কোর্ট স্টেশন থেকে বাইপাস এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাটোর বাইপাস পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্তকরণ, আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী সরকারি শিশু হাসপাতাল, ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) বারনই আবাসিক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প ও ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রান্তিক আবাসিক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৩ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন হতে যাওয়া রাজশাহী মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানকে দুর্যোগ ঝুঁকি সংবেদনশীলকরণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আরডিএ’র বনলতা বাণিজ্যিক এলাকার স¤প্রসারণ ও উন্নয়ন কাজ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের জেলা অফিস ভবন, তানোর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স¤প্রসারিত ভবন, ৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩২ হাজার ৯৭২ টাকা ব্যয়ে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাজশাহী মহানগরীর টিকাপাড়া এলাকার আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সেন্টারের ছয়তলা ভবন এবং প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রসারণ করা বাগমারা উপজেলা পরিষদের হলরুম উদ্বোধন করেন।

পুলিশকে আইনের রক্ষকের ভূমিকায় দেখতে চাই : এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ একাডেমিতে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুলিশকে আইনের রক্ষকের ভূমিকায় দেখতে চাই। দেশের প্রচলিত আইন, সততা ও নৈতিক মূল্যবোধই হবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পথ প্রদর্শক। ’ বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর চারঘাটে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের শিক্ষাসমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শান্তি নিরাপত্তা ও শৃংঙ্খলার প্রতীক বাংলাদেশ পুলিশ। শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামেই নয়, দেশের সঙ্কটময় মুহূর্তে দেশের পুলিশ সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশের আন্তরিকতা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দেশবাসীর কাছে প্রশংসিত হচ্ছে। তাই আমরা এমন পুলিশ গঠন করবো, যে পুলিশ হবে জনগণের সেবক, শাসক নয়। ’

নতুন এ পুলিশ কর্মকর্তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর বিশেষ অবদানের কথা উল্লেখ করে পূর্বসূরিদের অনুসরণ করতে নতুন পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজারবাগ থেকে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে পুলিশ বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধে সারদা পুলিশ একাডেমিরও বিশেষ ভূমিকা আছে। এখানে ২৪ জন কর্মকর্তা শহীদ হন। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশ বাহিনীকে প্রথম দক্ষ করে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছিলেন। আর অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সর্বপ্রথম দরকার আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা। এজন্য আমরা সর্বোত্মকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি পুলিশ বাহিনীকে দক্ষ ও আধুনিক করে গড়ে তুলতে। আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে সে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ’

এ সময় তিনি পিবিআই, ট্যুরিস্ট পুলিশ, কাউন্টার টেরিরিজম ইউনিট গঠনসহ পুলিশের উন্নয়নে তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বিবরণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশ যেন আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে পারে এজন্য তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। তাদের পদ-পদবিও উন্নীত করা হয়েছে। পুলিশের কল্যাণে সরকারের আরও অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় পুলিশকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের বলবো, পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস নবীন পুলিশ কর্মকর্তাগণ অর্জিত জ্ঞান, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সার্বিক কল্যাণে নিয়োজিত থাকবেন। ’

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, আইজিপি একেএম শহীদুল হক, অতিরিক্ত আইজিপি ও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল মাহমুদসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্যারেড পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশিক্ষণকালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর মধ্যে প্রশিক্ষণে বেস্ট একাডেমিক শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মাশফাকুর রহমান, অশ্বারোহণে শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং সর্ব বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সন্দীপ সরকারকে পদক প্রদান করা হয়। ৩৪ তম বিসিএসের ১৪১ কর্মকর্তা পুলিশ অফিসার হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন। এর মধ্যে ২৬ জন নারী রয়েছেন।

এর আগে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই বেলা দশটায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশ নেন। – বিডি প্রতিদিন

আমাদের পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*